চন্দ্রযান-২ ও দুই নারী

বিজ্ঞান আর নারীর নাকি দুই মেরুতে বাস। সেসব কথা মুড়ে ছুড়ে ফেলে মুথায়া ভনিতা আর রিতু কড়িঢাল এই দুই নারীর নেতৃত্বে ২২ জুলাই ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ থেকে স্থানীয় সময় বেলা ২টা ৪৩ মিনিটে চাঁদের দেশে যাত্রা শুরু করেছে চন্দ্রযান–২। ১০০০ কোটি টাকার মিশন এই চন্দ্রযান-২।

ভারতের আগে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন চাঁদে রোভার পাঠাতে পেরেছে। । ভারত চতুর্থ দেশ হিসেবে এই কীর্তি স্থাপন করে রেকর্ড বুকে নাম তুলল।

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) এই প্রকল্পের পরিচালক ভনিতা। আর রিতু কড়িঢাল, দ্বিতীয় চন্দ্রযানের মিশন পরিচালক।

মুথায়া ভনিতা ২০ বছর ধরে স্পেস এজেন্সির সঙ্গে কাজ করছেন। ২০১৩ সালের নভেম্বরে ইসরো মঙ্গলে ‘মঙ্গলযান’ নামে যে মহাকাশযান পাঠায়, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল এই নারীর। আর মঙ্গলযানের ডেপুটি অপারেশন ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন রিতু কড়িঢাল। তাঁদের তাই বলা হচ্ছে ভারতের ‘রকেট উইমেন’। মহাকাশ গবেষণায় কেন্দ্রীয় সরকারের ‘মেক ইন্ডিয়া’ স্লোগানের যে জয়জয়কার চলছে, সেই কৃতিত্বের একটা বড় অংশের দাবিদার কিন্তু এই দুই নারী।

ইসরো বলছে, এখন পর্যন্ত যতগুলো চন্দ্রযান চাঁদে গেছে, সেগুলো অবতরণ করেছে চাঁদের উত্তর মেরুতে। আগামী ৬ বা ৭ সেপ্টেম্বর চন্দ্রযান–২ প্রথম মহাকাশযান হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবে। ইসরোর সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট এটি। উদ্দেশ্য, চাঁদে পানি ও খনিজ পদার্থের খোঁজ করা।

সূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত