| 23 ফেব্রুয়ারি 2024
Categories
খবরিয়া দেহ স্বাস্থ্য

মাস্ক পরা নিয়ে নয়া গাইডলাইন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

আনুমানিক পঠনকাল: 2 মিনিট

বিশ্বজুড়ে থাবা আরও চওড়া হচ্ছে করোনাভাইরাসের। লাফিয়ে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে দেশে চেষ্টা চললেও এখনও অধরা ভ্যাকসিন। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ রুখতে নয়া পরামর্শ দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। এর আগে WHO জানিয়েছিল, সুস্থ ব্যক্তিদেরও যে মাস্ক পরা প্রয়োজন, এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু নয়া নির্দেশিকায় প্রকাশ্য স্থানে প্রত্যেক ব্যক্তিকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর ফলে ‘জীবাণু বহনকারী ড্রপলেট’ থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছে তারা।

দেশে দেশে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছে সরকার। কিছু দেশে প্রকাশ্য স্থানে মাস্ক না পরলে শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ভারতেও বাড়ির বাইরে পা রাখলে প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। অন্তত কোনও পরিষ্কার কাপড়ের টুকরো দিয়ে মুখ ঢেকে রাখতে বলা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ রুখতে মাস্ক কতটা কার্যকরী তা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গবেষণা চালিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তা ভিত্তিতে নয়া সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে তারা। WHO-র করোনা বিষয়ক টেকনিক্যাল টিমের প্রধান ডাক্তার মারিয়া ভ্যান কেরখোভ একটি সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছে, যে সমস্ত এলাকায় সংক্রমিত হওয়ার ভয় আছে সেখানে প্রত্যেকের মাস্ক পরা প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে কাপড়ের মাস্ক পরলেই হবে। তবে সেগুলি যেন ত্রিস্তরিয় হয়। মেডিক্যাল মাস্ক পরার কোনও প্রয়োজন নেই। একমাত্র আক্রান্ত এবং তাঁদের সেবার জড়িতদের মেডিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করলেই হবে।

গবেষণায় জানা গিয়েছে, নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও অনেকের মধ্যে উপসর্গই দেখা যায় না। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তিও বহু ক্ষেত্রে বিষয়টি জানতে পারেন না। আর এভাবে উপস্বর্গ প্রকাশের আগের কয়েক দিন এভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে বহু মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গণপরিবহন, জনবহুল দোকানবাজারের মতো স্থানে মাস্ক ব্যবহার করলে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। বিশেষত ষাটোর্ধ্ব এবং অন্যান্য রোগে যাঁরা ভুগছেন তাঁদের ক্ষেত্রে মাস্ক পরা একান্ত বাঞ্ছনীয়। তবে শুধুমাত্র মাস্ক পরলেই করোনা জব্দ হয়ে যাবে, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

একাধিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবশ্য দাবি করেছে, নোভেল করোনাভাইরাস পৃথিবী থেকে সহজে নিশ্চিহ্ন হওয়ার নয়। ভ্যাকসিনের অপেক্ষায় তাই গোটা বিশ্ব। কিন্তু গৃহবন্দি দশায় ধুঁকছে অর্থনীতি। বহু দেশ তাই দূরত্ববিধি বজায় রেখে লকডাউন তুলে দিতে চলেছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: সর্বসত্ব সংরক্ষিত