শ্বাসাবরী জংশন থেকে অনুবাদ

আদ্যন্ত রোমান্টিক কবি স্বপন রায় নিজের কবি সত্তাকে ‘আমি’ থেকে পৃথক করেন, “আমি কবি হলে পৃথিবী অন্য। দ্বিতীয়”। আর কবির এই দ্বিতীয় পৃথিবীর পাসওয়ার্ড হল চেতনা। চলপথের মূর্ত অভিজ্ঞতাগুলির বিমূর্ত রূপ অভিনব শব্দায়নে। শব্দের যাত্রাশুরুতে সম্ভাবিত যে ধ্বনি তাই হল তাঁর কবিতার পাসওয়ার্ড।

কবির সদ্য প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘শ্বাসাবরী জংশন’ থেকে এই অনুবাদ।


On Demand

Rain has come, thinking who else can come, today  

When she

as candle-light comes, she, a murmur-image of melancholy

Got this or that of vintages

And the field is not green by itself, it’s green, so it’s green

Stew and music, music and Stew both are reactive 

Rain settles at the restaurant

May be

Such a survey in the remedy of watery afternoon, I may receive

after opening

and after wearing, gradual colour of night

even rain is a distance for that thread

in the off-evening light 

Raincoat moist in the rain

Think of running fineness and quietness of water

Think of a mole, on an extra whitening 

 

 

অনুরোধের আসর   

বৃষ্টি এসেছে, কে আসতে পারে ভেবে, আজই

যখন ও

যেন মোমের আলো আর কলকলের প্রতিমাবিষাদ

এভাবে আর ও ভাবে অনেকদিনের ধরা

মাঠ তো সবুজ নয়, সবুজ হলেই মাঠ চলতে চলতে

স্টু আর ধুন, ধুন আর স্টুও অভিমানী

রেস্তোরাঁয় বৃষ্টি নেমেছে

হয়তো পেয়ে যাবো

জোলো বিকেলের উপশমে জরিপ এমন

যে খুলে ফেলার পরে

আর পরে নেয়ার আগে রাতের রঙ

আস্তে আস্তে ভরা

বৃষ্টিও ওই সুতোর জন্য দূর ওই নেভা আলোয়

অঝরা বর্ষাতি

ভাবো মিহি ছুটছে আর জলের শান্ততা

ভাবো তিলের পাশে অনেকটা গৌরী

 

 

Shravanism

 

A forester bird and a twin bird made

this aqua-steppe

And this light came through a pale glow of knifing butter

 

Came

but didn’t attach herself with any fear

She, who will never go to the moon

Her hobnobbing thought will never say miss you miss you

The button-less home is far away

I collect your fallen books, you know for years, habitually from the floor

Here you look, there you open

Flight of light dance in the bone

Wet and drenched

How far is that ‘far away’

It’s not a bird

a knife, no

innate tendency, rather

 

Rain starts near a melting rickshaw

 

 

শ্রাবণীলাম

পাখি এক বনওড়া দু পাখির প্রণীত

এই জলকান্তার

এরকম মাখনের আলো হাওয়া ছুরির ওপর

এল

তবে নিজেকে জড়ালো না কোনো ভয়ের সঙ্গে

কোনোদিন যে চাঁদে যাবে না

যার ভাবনামিশুক হবে না চাঁদের হায় হায়

অনেক দূরে বোতামফাঁকা ঘর

সেই কবে থেকে আমি তোমার বই কুড়িয়ে দিচ্ছি

এই তাকাবে এই খুলে যাবে

হাড়ের মধ্যে তরল নাচের ওড়া

আর ভিজতে ভিজতে দূর ঠিক কোথায়

পাখি না ছুরি না    স্বভাব

দ্রবরিক্সার কাছে কাছে ভোর হল    শ্রাবণ শুরু হল

 

 

Zigzag

 

Friends are ready, what about girlfriends?

Dressed in palpitating raw leftwing ‘Saree’ 

If not Gazal, wine anyways

For days unbound Ladies pour white autumn from big-bowl

and pouring sounds like peacock’s call

 

How am I

Why am I, vegetables vacillate with wellbeing call

Presumptions are changing

right in front of me

In the lustre of hooded laboratory wing 

trellis threw some film-made dimples

Threw grasshopper’s refusing mind

beneath a smile

 

If the force doubles, acceleration too

In this slippery clouds

If we quantify our rivers or break the sunset

Dad and mom, where are you

Resting sunshine, are you there

 

Waiting is long, longer than our rivers

our postman, he only walks when rain is ahead

 

 

 

আঁকে বাঁকে

সজনেরা তৈরি   সজনীরা?

হল্লা-শাড়ির কাঁচায় পরা ধুকপুক

গজল না হোক একটু শরাব

মেয়েরা কতদিন জামবাটি থেকে ধবধবে শরৎ

আর উপুড়ের ঢালাও কেকা

কেমন আছি

কেন আছি এই বোল তুলে আনাজ দুলছে

আন্দাজ পালটে যাচ্ছে

ঠিক আমার সামনেই

ল্যাবরেটরির আভায় কানচাপা রাস্তা

গ্রিল কিছু সিনেমাগঠিত

টোল ফেলে দিল

হাসির নিচে ফেলে দিল ফড়িং এর অভিমান

বল দ্বিগুণ হলে তরণও অতটা

এই ধরাপেছল মেঘে

আমাদেরই নদীকে গুণলে সূর্যাস্ত ভাঙলে

কোথায় বাবা মা

কোথায় টুলরোদ

আমাদেরই নদীর চেয়ে বড়ো অপেক্ষারা

আমাদেরই পিয়ন শুধু হাঁটে যখন একটু আগেই বৃষ্টি

 

 

 

 

মন্তব্য করুন



আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বসত্ব সংরক্ষিত